“মহেশখালি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আর্থিক চুক্তি সম্পন্ন”

“মহেশখালি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আর্থিক চুক্তি সম্পন্ন”

ঢাকা, ১১ জুলাই ২০১৭

আজ সোনারগাও হোটেলে মহেশখালি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে IFC (International Finance Corporation) ও Exelerate Energy Bangladesh Limited’র সাথে  আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনানীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বীরবিক্রম বলেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য মাইলস্টোন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে গ্যাসের চাহিদা পুরন করা হবে। এ জন্য সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বিধানের অন্যতম চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনশক্তি। প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি ও এলএনজি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এলএনজি’র ব্যবহার বাংলাদেশে এখনও হয়নি। আশা করা যাচ্ছে ২০১৮ সালের প্রথম দিক থেকে এলএনজি‘র ব্যবহার শুরু হবে। ব্যবস্থাপনা লেভেলে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ক্লীন ও গ্রীন এনার্জি ব্যবহার বাড়ানো সময়ের দাবি। আমরাও সেদিকে ধাবিত হচ্ছি। 
  
অনুষ্ঠানে Exelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) এর পক্ষে চিফ ফাইন্যান্স অফিসার এবং ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নিক বিডফোর্ট (Nick Bedford) এবং IFC ‘র পক্ষে বাংলাদেশের কান্ট্রিম্যানেজার মিজ উইন্ডি ওর্য়ানার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ প্রকল্পের মোট খরচ হবে ১৭৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার ইক্যুইটি ৫৩.৮ মিলিয়ন ডলার এবং ঋণ ১২৫.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। IFC ৩২.৮ মিলিয়ন ডলার ঋণের ব্যবস্থা করেছে। 

উল্লেখ্য যে, কক্সবাজারের মহেশখালিতে ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে গত ১৮ জুলাই ২০১৬ তারিখে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও Exelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) এর মধ্যে Implementation Agreement (IA) এবং পেট্রোবাংলা ও ঊঊইখ এর মধ্যে টার্মিনাল ব্যবহার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এপ্রিল ২০১৮ নাগাদ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল কমিশনিং করা সম্ভব হবে। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের এলএনজি ধারণ ক্ষমতা হবে ১৩৮,০০০ ঘনমিটার। ১৫ বছর টার্ম শেষে টার্মিনালটি  কোন বিনিময় মূল্য ছাড়া পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করা হবে। 

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমুদ্দিন চৌধুরী, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনশুর মো. ফয়জুল্লাহ, আইএফসি‘র প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টমেন্ট অফিসার কামাল দোরাবাইলা (Kamal Dorabawila) ও লাবোমীর ভারবানভ (Lubomir Varbanov) বক্তব্য রাখেন।