”আগামীতে বাজেটে মানুষের আশা-আকাংখার আরো প্রতিফলন ঘটবে” - বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

”আগামীতে বাজেটে মানুষের আশা-আকাংখার আরো প্রতিফলন ঘটবে” - বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকাঃ ১৮/০৬/২০১৭

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামীতে বাজেটে মানুষের আশা-আকাংখার আরো প্রতিফলন ঘটবে। শুধু আর্থিক বিষয়ি গুরুত্ব পাবে না---থাকবে সৃজনশীলতা, গবেষণা ও সামাজিক ন্যায় বিচার।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ ক্রমশ এগিয়ে চলেছে সেই যাত্রায় উদ্ভাবন ছাড়া উন্নয়নকে কল্পনা করা দুঃসাধ্য বিষয়। আর গবেষণা ছাড়া উদ্ভাবন প্রত্যাশা অনেকাংশেই দুরূহ বিষয়। সেক্টর ভিত্তিক নিজস্ব গবেষণা এবং পরিকল্পিত কার্যক্রম উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আরো তরান্বিত করবে। আর এই ক্ষেত্রে তরুনরাই অগ্রনী ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমাদের বিশ্বাস।

প্রতিমন্ত্রী আজ উন্নয়ন, উদ্ভাবন, গবেষণাঃ বাজেট প্রত্যাশা-২০১৭ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ বুয়েট এনার্জি ক্লাব, এসাব ইনভেশন সেন্টার এবং এনার্জি রিসার্চ ইন্সটিটিউট যৌথভাবে বুয়েটে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। তিনি বলেন, নিজস্ব জ্ঞানের উন্মেষ এবং নিজেদের সমস্যা সমাধানে নিজেদের মেধা কাজে লাগানোর জন্য জাতীয় বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতের মত জ্ঞানভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ খাতের জন্য এ প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় গবেষণা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি, তারুন্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশ, টেকনোলজি ট্রান্সফার ও নতুন প্রযুক্তি, গ্রাহক সেবা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন।
 

আলোচনাকালে তরুণ গবেষক ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে, গবেষণা ও উন্নয়য়নখাতে অতিরিক্ত ১০০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ, ভোকেশনাল/ কর্মমুখী শিক্ষার উপর বিনিয়োগ, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে নিজস্ব গবেষণা বিভাগ গড়ে তোলা এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত গবেষণা পদ্ধতি প্রণয়ন,বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর গবেষণাগার/ ল্যাব ফ্যাসিলিটির জন্য একটি সার্বজনীন নীতিমালার প্রণয়ন এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয় একটি ন্যূনতম মানের গবেষণাগার পরিচালনা করছে কিনা তার পর্যবেক্ষন, দেশে সোলার প্যানেল পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন না হওয়া পর্যন্ত সোলার প্যানেল এর উপর আরোপিত ১৫%  ভ্যাট প্রত্যাহার, বায়োগ্যাস, সবুজচুলা, আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সোলার প্যানেল উৎপাদন প্রভৃতি প্রযুক্তি দেশে উৎপাদনের জন্য সাবসিডি/ট্যাক্স রিবেটের বিধান প্রণয়ন, কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং তদলক্ষ্যে বাজেটে যথাযথ প্রতিফলন দাবী তোলা হয়।

আলোচনা কালে অন্যান্যের মাঝে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন,  এটুআই প্রোগ্রামের  জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাইমুজ্জামান মুক্তা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ জিয়াউর রহমান খান, এসাব ইনোভেশন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আরিফ রায়হান মাহি।