ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন প্রজেক্টের চুক্তি স্বাক্ষরিত

ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন প্রজেক্টের চুক্তি স্বাক্ষরিত

ঢাকা, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সকল প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশি-ষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আজ স্থানীয় একটি হোটেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন (সিপিপি) ব্যুরোর মধ্যে ‘ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপ লাইন’ শীর্ষক প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকলের নিরলস পরিশ্রমে জ্বালানি খাতের যগান্তকারী এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সরকারের বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপনার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে প্রতিপালনের নির্দেশ প্রদান করেন এবং প্রকল্প বা¯@বায়ন ও পরবর্তীতে পরিচালনায় দক্ষ মানবস¤ক্সদ তৈরীর জন্য উন্নত মানের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি টাইম লাইন প্রস্তুত করে এই প্রকল্পসহ সকল প্রকল্প বাস্তবায়নের পরামর্শ প্রদান করেন।
 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কারী মোঃ আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জ্বালানি ও খনিজ স¤ক্সদ সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিপিসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহমুদ রেজা খান।
 
উল্লেখ্য,‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপ লাইন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আমদানীকৃত ক্রুড অয়েল এবং ফিনিসড্ প্রোডাক্টস সহজে, নিরাপদে, স্বল্প খরচে এবং স্বল্প সময়ে খালাস নিশ্চিত করা যাবে, বর্তমান রিফাইনারীর প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হবে, মহেশখালী দ্বীপে ডিজেল ও ক্রুড স্টোরেজ ট্যাংক স্থাপনের মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম অয়েল ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি যোগানের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে ক্রুড ও ফিনিসড্ প্রোডাক্টস আমদানীতে যে অপারেশন লস হয় তা কমে আসবে।

চুক্তিতে বিপিসির পক্ষে ডিরক্টের অপারেশন এন্ড প্ল্যানিং সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও সিপিপি- এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট ঝাও ইউজান স্বাক্ষর করেন।

এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৪২৬.২৬ কোটি টাকা। চায়না এক্সিম ব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থায়ন করবে।